ঢাকা সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ০২:১২ পূর্বাহ্ন ২ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
Dhaka Songjog
📢
বিজ্ঞাপন দিন
আপনার ব্যবসা প্রচার করুন
আপনার বিজ্ঞাপন এখানে দিন
dhakasongjog@gmail.com
ঢাকা | সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ০২:১২ পূর্বাহ্ন | ২ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
📢
বিজ্ঞাপন দিন
আপনার ব্যবসা প্রচার করুন
আপনার বিজ্ঞাপন এখানে দিন
dhakasongjog@gmail.com

সেনাবাহিনীতে বড় রদবদলের পর ডিজিএফআই প্রধানের দিল্লি সফর ঘিরে আলোচনা।


নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশের সময় : মার্চ ৭, ২০২৬, ৯:২৮ পূর্বাহ্ন /
সেনাবাহিনীতে বড় রদবদলের পর ডিজিএফআই প্রধানের দিল্লি সফর ঘিরে আলোচনা।

বাংলাদেশের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা Directorate General of Forces Intelligence (DGFI)–এর নবনিযুক্ত প্রধান মেজর জেনারেল কাইসার রশীদ চৌধুরীর ভারত সফর ঘিরে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। চিকিৎসার কথা বলা হলেও অন্তত পাঁচ বছরের মধ্যে কোনো ডিজিএফআই প্রধানের এটি প্রথম ভারত সফর হওয়ায় বিষয়টি বিশেষভাবে নজর কেড়েছে।

জানা গেছে, মেজর জেনারেল চৌধুরী ও তার স্ত্রী IndiGo এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ভারতের রাজধানী New Delhi পৌঁছেছেন। সেখানে তিনি দুই থেকে তিন দিন অবস্থান করবেন এবং এ সময় চিকিৎসা নেওয়ার কথা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

সম্প্রতি Bangladesh-এ বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর সেনাবাহিনীর উচ্চ পর্যায়ে ব্যাপক রদবদল করা হয়। প্রধানমন্ত্রী Tarique Rahman নেতৃত্বাধীন সরকার ১৭ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই এই পরিবর্তন শুরু হয়। ওই রদবদলের অংশ হিসেবেই ব্রিগেডিয়ার পদ থেকে পদোন্নতি পেয়ে মেজর জেনারেল কাইসার রশীদ চৌধুরী ডিজিএফআই প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পান।

সেনাবাহিনীর এই পুনর্বিন্যাসে আরও কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব থেকে সরিয়ে নতুন পদে পাঠানো হয়েছে। সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম কামরুল হাসানকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের কমান্ড্যান্ট লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোহাম্মদ শাহীনুল হককে কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল এবং লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাইনুর রহমানকে চিফ অব জেনারেল স্টাফ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

একইসঙ্গে ১৯তম, ২৪তম ও ৬৬তম ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনের কয়েকজন সিনিয়র কর্মকর্তাকেও তাদের কমান্ড পদ থেকে সরিয়ে অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সেনাবাহিনীর উচ্চপর্যায়ে এমন বড় ধরনের রদবদলের পরপরই ডিজিএফআই প্রধানের দিল্লি সফর স্বাভাবিকভাবেই কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে। যদিও সফরটিকে চিকিৎসাজনিত ব্যক্তিগত সফর বলা হচ্ছে, তবুও দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতি ও দুই দেশের নিরাপত্তা সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে এ সফর নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে রাজনৈতিক অঙ্গনে।

বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক সমীকরণ কীভাবে গড়ে উঠছে—ডিজিএফআই প্রধানের এই সফর সেই আলোচনাকেই নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে।

বাংলাদেশের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা Directorate General of Forces Intelligence (DGFI)–এর নবনিযুক্ত প্রধান মেজর জেনারেল কাইসার রশীদ চৌধুরীর ভারত সফর ঘিরে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। চিকিৎসার কথা বলা হলেও অন্তত পাঁচ বছরের মধ্যে কোনো ডিজিএফআই প্রধানের এটি প্রথম ভারত সফর হওয়ায় বিষয়টি বিশেষভাবে নজর কেড়েছে।

জানা গেছে, মেজর জেনারেল চৌধুরী ও তার স্ত্রী IndiGo এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ভারতের রাজধানী New Delhi পৌঁছেছেন। সেখানে তিনি দুই থেকে তিন দিন অবস্থান করবেন এবং এ সময় চিকিৎসা নেওয়ার কথা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

সম্প্রতি Bangladesh-এ বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর সেনাবাহিনীর উচ্চ পর্যায়ে ব্যাপক রদবদল করা হয়। প্রধানমন্ত্রী Tarique Rahman নেতৃত্বাধীন সরকার ১৭ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই এই পরিবর্তন শুরু হয়। ওই রদবদলের অংশ হিসেবেই ব্রিগেডিয়ার পদ থেকে পদোন্নতি পেয়ে মেজর জেনারেল কাইসার রশীদ চৌধুরী ডিজিএফআই প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পান।

সেনাবাহিনীর এই পুনর্বিন্যাসে আরও কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব থেকে সরিয়ে নতুন পদে পাঠানো হয়েছে। সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম কামরুল হাসানকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের কমান্ড্যান্ট লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোহাম্মদ শাহীনুল হককে কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল এবং লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাইনুর রহমানকে চিফ অব জেনারেল স্টাফ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

একইসঙ্গে ১৯তম, ২৪তম ও ৬৬তম ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনের কয়েকজন সিনিয়র কর্মকর্তাকেও তাদের কমান্ড পদ থেকে সরিয়ে অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সেনাবাহিনীর উচ্চপর্যায়ে এমন বড় ধরনের রদবদলের পরপরই ডিজিএফআই প্রধানের দিল্লি সফর স্বাভাবিকভাবেই কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে। যদিও সফরটিকে চিকিৎসাজনিত ব্যক্তিগত সফর বলা হচ্ছে, তবুও দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতি ও দুই দেশের নিরাপত্তা সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে এ সফর নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে রাজনৈতিক অঙ্গনে।

বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক সমীকরণ কীভাবে গড়ে উঠছে—ডিজিএফআই প্রধানের এই সফর সেই আলোচনাকেই নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে।

অনুসরণ করুন ঢাকাসংযোগ
ফলো করুন ↗