ঢাকা সংযোগ

বিএনপি জয়ী, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ -উচ্চকক্ষে কী হবে?

শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। মোট ২১২টি আসন পেয়েছে দলটি, আরও দুই আসনে জয় পেলেও আইনি জটিলতায় আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বাকি রয়েছে। অপরদিকে গণভোটে বিশাল ব্যবধানে জয় পেয়েছে ‘হ্যাঁ’ ভোট। সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে বিএনপির একচ্ছত্র মালিকানা তৈরি হওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে, এ অবস্থায় গণভোটের গুরুত্বপূর্ণ কী-পয়েন্টের একটি— উচ্চকক্ষে কী হতে যাচ্ছে? কারণ, জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে গণভোট অনুষ্ঠিত হলেও এ বিষয়টিতে বেশ কিছু নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছিল দলটি। একই সঙ্গে বিএনপির ইশতেহারে উচ্চকক্ষ নিয়ে রয়েছে জুলাই সনদের সঙ্গে বিপরীত অবস্থানও।

গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সারাদেশে ২৯৯টি আসনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বিএনপি জোট ২১২, জামায়াত জোট ৭৭, স্বতন্ত্র ৭ ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ একটি আসন পেয়েছে। বাকি রয়েছে দুটির ফল ঘোষণা, আর একটিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়নি। অপরদিকে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন প্রশ্নে অনুষ্ঠিত গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে ভোট দিয়েছেন দেশের ৪ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৯ ভোটার এবং ‘না’-এর পক্ষে ভোট দিয়েছেন ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬২৭ ভোটার। মোট ২৯৯ আসনে গণভোট পড়েছে ৬০ দশমিক ২৬ শতাংশ।

জুলাই সনদ অনুযায়ী, গণভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট ‘হ্যাঁ’ সূচক হলে আগামী সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধি নিয়ে একটি সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠিত হবে। এই প্রতিনিধিরা একই সঙ্গে জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। পরিষদ তার প্রথম অধিবেশন শুরুর তারিখ থেকে ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে সংবিধান সংস্কার করবে। সংবিধান সংস্কার সম্পন্ন হওয়ার পর ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে সংসদ নির্বাচনে প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যানুপাতে উচ্চকক্ষ গঠন করা হবে। এর মেয়াদ হবে নিম্নকক্ষের শেষ কার্যদিবস পর্যন্ত।

নিজস্ব প্রতিবেদক

এই লেখকের আরও সংবাদ পড়ুন।

সব লেখা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *