ঢাকা সংযোগ

ইবিতে ফুলকুঁড়ি আসর তারারমেলা শাখার “বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও মৌসুমি ফলের আসর”

শেয়ার করুন

: ইবিতে ফুলকুঁড়ি আসর তারারমেলা শাখার “বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও মৌসুমি ফলের আসর”

জাতীয় শিশু-কিশোর সংগঠন ফুলকুঁড়ি আসর তারারমেলা শাখার উদ্যোগে শিশু-কিশোরদের নিয়ে “বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও মৌসুমি ফলের আসর” অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেলে ০৩ টায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ডায়না চত্বরে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে প্রায় অর্ধশতাধিক শিশু-কিশোরের মাঝে আম, কাঁঠাল, লেবু, মেহগনি-সহ বিভিন্ন ফলজ, বনজ ও ঔষধি প্রজাতির ১২০টি গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
চারা বিতরণ শেষে শিশুদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয় মৌসুমি ফলের আসর।উৎসবে আম, কাঁঠাল, পেয়ারা, কলা, আনারস, ড্রাগনফল-সহ বিভিন্ন দেশীয় ও মৌসুমি ফলের সমাহার ছিল। আয়োজনটি শিশুদের মধ্যে ফলভিত্তিক পুষ্টি, স্বাস্থ্য সচেতনতা এবং পরিবেশবান্ধব জীবনধারা সম্পর্কে আগ্রহ সৃষ্টি করে।
অনুষ্ঠানে তারারমেলা শাখার পরিচালক খন্দকার আহনাফুজ্জামানের সভাপতিত্ব ও পরিচালনায় উপস্থিত ছিলেন ফুলকুঁড়ি আসরের সহকারী প্রধান পরিচালক আশরাফুল ইসলাম, বিজ্ঞান চক্রের পরিচালক মেহেদী হাসান মুন্না, কুষ্টিয়া অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক ও কেন্দ্রীয় সমাজসেবা সম্পাদক আলিমুদ্দিন আলিম।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন তারারমেলা শাখার সাবেক পরিচালক আহমদ আব্দুল্লাহ, সহকারী পরিচালক মুবাশ্বির আলম, অর্থ সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম, সাহিত্য সম্পাদক ওয়াইসকুরুনী, সাংস্কৃতিক সম্পাদক আল-আবিদ, দপ্তর সম্পাদক ইসমাইলসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদানকালে তারারমেলা শাখার পরিচালক খন্দকার আহনাফুজ্জামান বলেন, “গাছ লাগিয়ে সবুজ গড়ি, ফল-ফসলে স্বদেশ ভরি” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। তিনি জানান, তারারমেলা শাখার উদ্যোগে আশপাশের প্রায় ৩০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গাছ লাগানো ও চারা বিতরণ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এর মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সবুজ বাংলাদেশ গঠনের দায়িত্ববোধ জাগ্রত করার প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, চলতি বছরে তারারমেলা শাখা প্রায় ৫ হাজার গাছের চারা রোপণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে এবং এ কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়নের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
ফুলকুঁড়ি আসরের সহকারী প্রধান পরিচালক আশরাফুল ইসলাম বলেন, ফুলকুঁড়ি আসর শিশুদের সার্বিক বিকাশে পাঁচটি বিভাগে কাজ করে থাকে, যার মধ্যে কৃষি, শিল্প ও বিজ্ঞান বিভাগ অন্যতম। এই বিভাগের অধীনে প্রতিবছর জুন-জুলাই মাসজুড়ে দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়।
তিনি বলেন, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে শিশু-কিশোরদের সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে তাদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা ও প্রকৃতিপ্রেম গড়ে তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে। ছোট ছোট এসব উদ্যোগই একদিন বড় পরিবর্তনের পথ তৈরি করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
মৌসুমি ফলের আসর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ আয়োজনের মাধ্যমে শিশু-কিশোরদের দেশীয় মৌসুমি ফলের সঙ্গে পরিচিত করা, তাদের এসব ফলের স্বাদ গ্রহণের সুযোগ করে দেওয়া এবং ফলের পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্যগত উপকারিতা সম্পর্কে ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের উদ্যোগ শিশুদের সুস্থ, সচেতন ও প্রকৃতিবান্ধব নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

অনলাইন ডেস্ক

এই লেখকের আরও সংবাদ পড়ুন।

সব লেখা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *