নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ধনকুন্ডা পপুলার হাই স্কুলের ভোটকেন্দ্রে বশির উল্লাহ নামে এক ব্যক্তিকে জামায়াত নেতা সন্দেহে কেন্দ্রের ভেতরে আটক করে রাখেন স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনী গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। এরপর যাচাই-বাছাই করে দেখা গেলো ওই ব্যক্তি জামায়াত নেতা নন, বরং প্রিসাইডিং অফিসার বশির উল্লাহ। তিনি ধনকুন্ডা পপুলার হাই স্কুল কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিসাইডিং অফিসার।
এ ঘটনায় পুলিশ প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা গিয়ে বিষয়টি যাচাই বাছাই করে দেখেছেন। বিষয়টি জেনে শান্ত হন বিএনপির নেতাকর্মীরা।
এ বিষয়ে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা শাহীনা ইসলাম চৌধুরী বলেন, বশির উল্লাহ ধনকুন্ডা পপুলার হাই স্কুল কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার ও সানারপাড় রওশন আরা স্কুলের প্রধান শিক্ষক। তার রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার কোনও প্রমাণ আমরা পাইনি। তিনি মূলত পোলিং এজেন্টের নিয়োগপত্র সংক্রান্ত কাগজপত্র নিয়ে কাজ করছিলেন। এখানে বাইরের কেউ ছিল না। নির্বাচন কমিশনের বিধি ও নিয়ম অনুযায়ীই তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার কোনও প্রমাণ আমরা পাইনি। অযথা একটা ঝামেলা তৈরি করা হয়েছে।
