
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর গুলিতে নিহত মোহাম্মদ মুরসালিন (২০) ও নবীর হোসেনের (৫০) পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। একই সঙ্গে আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা বিনিময় করেন তারা।
বৃহস্পতিবার (২৯ মে) বিকালে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর একটি প্রতিনিধি দল নিহতদের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেন এবং তাদের সান্ত্বনা দেন। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী আতাউর রহমান সরকার।
জানা যায়, বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে কসবা পৌরসভা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সামনে থেকে প্রতিনিধি দলটি রওয়ানা হয়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৫টার দিকে নিহতদের বাড়িতে পৌঁছায়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের যুব বিষয়ক সম্পাদক কাজী সিরাজুল ইসলাম, কসবা উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর শিবলী নোমানী, কসবা পৌরসভা আমীর হারুন অর রশীদ, জেলা ছাত্র শিবির প্রচার সম্পাদক সাইফুল্লাহ আল আরিফ, উপজেলা শিবির সভাপতি জাহিদ হাসান, সাবেক উপজেলা সভাপতি আমীর হোসাইনসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।নেতৃবৃন্দ নিহত নবীর হোসেনের মা জাকারিয়া বেগম ও মুরসালিনের পিতার সঙ্গে কথা বলেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করেন।
পরে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে আতাউর রহমান সরকার বলেন, “সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিকদের হত্যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয় ঘটনা। এ ধরনের হত্যাকাণ্ড কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। সরকারের উচিত ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করে ভারতের কাছে কূটনৈতিকভাবে জোরালো প্রতিবাদ জানানো।”
তিনি আরও বলেন, “সীমান্তে বাংলাদেশিদের পাখির মতো গুলি করে হত্যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এসব ঘটনার স্থায়ী সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি।”




















আপনার মতামত লিখুন :