ঢাকা সংযোগ

কেশবপুরে থানা পুলিশের অভিযানে এক নারীসহ ১১ আসামি গ্রেফতার

শেয়ার করুন

আলী হামজা, কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি:

যশোরের কেশবপুরে থানা পুলিশ ও চিংড়া বাজার পুলিশ ক্যাম্পের যৌথ বিশেষ অভিযানে এক নারীসহ ১১ জন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) দিবাগত রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোছা. রোকসানা খাতুনের নির্দেশনায় এসআই মোকলেছুর রহমান, এসআই সাইমুন হোসাইন, এসআই সঞ্জয় কুমার দাস, এএসআই রাসেল মাহামুদ, এএসআই লেলিন কুমার ও এএসআই জুয়েল সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় আদালতের পরোয়ানাভুক্ত ৭ আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।গ্রেফতারকৃতরা হলেন— ভোগতি-নরেন্দ্রপুর গ্রামের সামাদ সরদারের ছেলে মিজানুর রহমান (৪৩), মাগুরাডাঙ্গা গ্রামের মৃত সোলায়মানের ছেলে বেল্লাল হোসেন (৩১), বড়পাথরা গ্রামের নজরুল ইসলাম মোল্ল্যার ছেলে তুহিন মোল্লা, ছোটপাথরা গ্রামের হযরত আলী শেখের ছেলে শরিফুল ইসলাম (৪৬), কমলাপুর গ্রামের শরাফ গাজীর ছেলে সাদ্দাম হোসেন (৩৩), বাগদা গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে জামাল হোসেন (৩৩) এবং বিদ্যানন্দকাটি গ্রামের রফিকুল ইসলামের স্ত্রী রিনা বেগম (৪৩)।

এদিকে চিংড়া বাজার পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. শামীম হোসাইনের নেতৃত্বে এএসআই নজরুল ইসলাম, এএসআই কামরুজ্জামান, কনস্টেবল টিপু সুলতান ও কনস্টেবল জিহাদ পৃথক অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে মেহেরপুর গ্রামের মৃত এরশাদ আলীর ছেলে লিয়াকত মোল্লা (৫০), রুহুল কুদ্দুস (৪০), মোকলেছুর রহমান (২৮) এবং রুহুল কুদ্দুসের ছেলে সিহাব মোল্লা (১৮)কে গ্রেফতার করা হয়।

চিংড়া বাজার পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. শামীম হোসাইন জানান, যশোর জেলা পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলামের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং মণিরামপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) ইমদাদুল হক ও কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জের নির্দেশনায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে চারজন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোছা. রোকসানা খাতুন বলেন, “আদালতের পরোয়ানাভুক্ত এক নারীসহ মোট ১১ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে তাদের যশোর বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।”

পুলিশ জানিয়েছে, অপরাধ দমন, পলাতক আসামি গ্রেফতার এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের বিশেষ অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।

নিউজ ডেস্ক

এই লেখকের আরও সংবাদ পড়ুন।

সব লেখা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *